
সোনা বা স্বর্ণ- শব্দটি শুনলেই একসময় চোখের সামনে ভেসে উঠত আভিজাত্য, উৎসব কিংবা নারীর সৌন্দর্যের অবিচ্ছেদ্য এক অনুষঙ্গ। আবহমান কাল ধরে বাঙালি সংস্কৃতিতে সোনা মানেই ছিল সমৃদ্ধি আর নিরাপত্তার প্রতীক। কিন্তু বর্তমান বিশ্ববাস্তবতায় এই মূল্যবান ধাতুটি তার চিরাচরিত পরিচয় অনেকটাই বদলে ফেলেছে।
অর্থনীতিবিদদের ভাষায়, সোনা এখন আর কেবল বিলাসী অলঙ্কার নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে যেন ‘বৈশ্বিক ভয়ের ব্যারোমিটার’ (Barometer of Fear)। ইতিহাস সাক্ষী, যখনই বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ জমে কিংবা যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠে- ঠিক তখনই বিশ্বজুড়ে সোনার কদর জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে। বর্তমান পরিস্থিতি যেন সেই পুরনো সমীকরণেরই একরকম পুনরাবৃত্তি। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের এই লাগামহীন উল্লম্ফন মূলত বিশ্ব অর্থনীতির গভীর সংকটের প্রতিধ্বনি।
ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও মন্দার শঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা এখন কাগজের নোট বা শেয়ার বাজারের অনিশ্চয়তা ছেড়ে সোনার ‘নিরাপদ আশ্রয়ে’ ভিড়ছেন। এই বৈশ্বিক কম্পন থেকে বিচ্ছিন্ন নয় বাংলাদেশও। দেশের বাজারে সোনার দামের লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি কেবল সাধারণ ক্রেতা বা মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে না, বরং এটি আমাদের সামগ্রিক অর্থনীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং মুদ্রাস্ফীতির ওপরও দীর্ঘমেয়াদী চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মূল অনুসন্ধান
সোনার এই নজিরবিহীন মূল্যবৃদ্ধিকে কোনো একক ঘটনার ফলাফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মূলত বিশ্ব অর্থনীতির জটিল সমীকরণ এবং আমাদের অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতার এক সম্মিলিত ফলাফল। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দাম বাড়ার প্রধান কারণ আস্থার সংকট। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বিশ্ব রাজনীতিতে এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বাজারে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫ হাজার ৫০০ ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বড় বড় হেজ ফান্ড এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা ডলার বা ইউরোর মতো কাগুজে মুদ্রার (Fiat Currency) ওপর আস্থা রাখতে না পেরে সোনার দিকে ঝুঁকছেন। এর সাথে যুক্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ‘ডি-ডলারাইজেশন’ মিশন। চীন, রাশিয়া, তুরস্ক ও ভারতের মতো দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন রিজার্ভে ডলারের বদলে সোনার মজুদ বাড়াচ্ছে। রাষ্ট্র যখন নিজেই ক্রেতা হয়, তখন চাহিদার চাপে দাম বাড়াটাই স্বাভাবিক।
আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে বাংলাদেশেও বাড়বে- এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের দেশে দাম বাড়ার হার আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বেশি। এর প্রধান কারণ ডলারের বিপরীতে টাকার মানের পতন। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ডলারে নির্ধারিত হয়। তাই বিশ্ববাজারে দাম স্থির থাকলেও যদি টাকার মান কমে, তবে দেশীয় বাজারে দাম বেড়ে যায়।
এর জাজ্বল্যমান প্রমাণ মিলল গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি)। এদিন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মাত্র এক দিনের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়া, বাংলাদেশে ‘বাজুস’ সোনার দাম নির্ধারণে ‘তেজাবী’ বা পাকা সোনার (Pure Gold) দামকে ভিত্তি ধরে। কিন্তু বৈধ পথে আমদানির জটিলতা ও উচ্চ শুল্কের কারণে দেশে পাকা সোনার তীব্র সংকট রয়েছে। জোগান কম থাকায় ডিলাররা ইচ্ছামতো দাম হাঁকান, যার খেসারত দিতে হয় সাধারণ ভোক্তাকে।
অর্থনীতির গভীর ক্ষত
সোনার দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের যেমনি গয়না কেনার স্বপ্ন ফিকে হয়, তেমনি অর্থনীতিবিদদের দৃষ্টিতেও এটি গভীর সংকটের লক্ষণ। এর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর। দেশে সোনার বিশাল চাহিদার প্রায় পুরোটাই মিটছে ‘ব্যাগেজ রুল’ এবং অবৈধ চোরাচালানের মাধ্যমে। নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং অর্থনীতিবিদদের মতে, চোরাচালানের এই সোনা কেনা হয় প্রবাসীদের কষ্টার্জিত ডলারে। হুন্ডি সিন্ডিকেট প্রবাসীদের কাছ থেকে বিদেশেই ডলার সংগ্রহ করে এবং দেশে তাদের পরিবারকে টাকা পৌঁছে দেয়। সংগৃহীত সেই বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আসার বদলে বিদেশে থেকেই যায় এবং তা দিয়ে দুবাই বা সিঙ্গাপুর থেকে সোনা কেনা হয়। ফলে সোনা দেশে ঢুকছে ঠিকই, কিন্তু রাষ্ট্র তার প্রাপ্য ডলার (রেমিট্যান্স) থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আবার ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশকে ‘ট্রানজিট রুট’ হিসেবে ব্যবহার করে সোনা ভারতে পাচার করা হয়। এতে অর্থনীতি দ্বিমুখী ক্ষতির শিকার হচ্ছে- একদিকে ডলার হারানো, অন্যদিকে শুল্ক না পাওয়া।
অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাত থেকে পুঁজি সরে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। অর্থনীতির ভাষায় সোনাকে অনেক সময় ‘মৃত পুঁজি’ বা Dead Asset বলা হয়। আপনি যদি এক কোটি টাকা দিয়ে একটি কারখানা স্থাপন করেন, তবে তা কর্মসংস্থান তৈরি করে এবং রাষ্ট্রকে ভ্যাট-ট্যাক্স দেয়। কিন্তু একই টাকা দিয়ে যখন সোনা কিনে সিন্দুকে রাখা হয়, তখন তা ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়াতে পারে, কিন্তু জাতীয় অর্থনীতিতে কোনো নতুন প্রবাহ তৈরি করে না। বর্তমান বাজারে সোনার দাম বাড়ার প্রবণতা দেখে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগের চেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনা কিনে রাখছেন। এতে ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট দেখা দেয় এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা (SME) ঋণ পেতে সমস্যায় পড়েন, যা দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে।
মুদ্রাস্ফীতির একটি শক্তিশালী নির্দেশক হিসেবে সোনার দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় ধস নামিয়েছে। টাকার অবমূল্যায়নের কারণে মানুষের মনে ‘ইনফ্লেশন এক্সপেকটেশন’ বা ভীতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, জুয়েলারি শিল্প পড়েছে এক অস্তিত্ব সংকটের মুখে। সাধারণ ধারণা- দাম বাড়লে ব্যবসায়ীদের লাভ, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। দফায় দফায় সোনার দাম বাড়তে থাকায় সাধারণ ক্রেতারা বাজার বিমুখ হয়ে পড়েছেন। সাম্প্রতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, উৎসবের মৌসুমেও জুয়েলারি বিক্রি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। ক্রেতারা এখন নতুন গয়না কেনার চেয়ে পুরোনো গয়না রিসাইকেল বা বিক্রি করতেই বেশি আগ্রহী। বিক্রি কমে যাওয়ায় মফস্বল ও জেলা শহরের ছোট দোকানগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে এবং কাজ না থাকায় হাজার হাজার দক্ষ কারিগর বাধ্য হয়ে ভিন্ন পেশায় ঝুঁকছেন।
উত্তরণের পথ : পলিসি রিফর্ম ও গোল্ড মনিটাইজেশন
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওপর বাংলাদেশের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, সত্য। কিন্তু এই দাম বৃদ্ধির প্রভাবে দেশের অর্থনীতি যাতে ভেঙে না পড়ে, সেই রক্ষাকবচ বা ‘শক অ্যাবজরবার’ তৈরি করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। এ ক্ষেত্রে প্রথমেই শুল্ক কাঠামো ও স্বর্ণ নীতিমালার আমূল এবং বাস্তবসম্মত সংস্কার প্রয়োজন। বর্তমানে উচ্চ শুল্কহার এবং বৈধ আমদানির জটিল প্রক্রিয়াই মূলত চোরাচালানের প্রধান প্রণোদনা হিসেবে কাজ করছে। সরকারকে একটি মৌলিক সত্য অনুধাবন করতে হবে- সোনা আমদানি থেকে রাজস্ব আয় করা তাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়; বরং মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষা করা। বাণিজ্যিক আমদানির শুল্ক যদি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়, তবে বৈধ ও অবৈধ পথের খরচের ব্যবধান কমে আসবে। তখন ব্যবসায়ীরা ঝুঁকি নিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে সোনা না এনে ব্যাংকিং চ্যানেলে এলসি খুলে সোনা আনবেন। এতে একদিকে হুন্ডির চাহিদা কমবে, অন্যদিকে রেমিট্যান্স বৈধ পথে আসবে- যা দিনশেষে সামষ্টিক অর্থনীতির জন্যই লাভজনক।
তবে কেবল শুল্ক কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সম্ভব নয়; প্রয়োজন কাঠামোগত উদ্ভাবন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হতে পারে ‘গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিম’ (Gold Monetization Scheme) চালু করা। বাংলাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে হাজার হাজার টন সোনা অলস পড়ে আছে, যা অর্থনীতির ভাষায় ‘মৃত সম্পদ’ (Dead Asset)। ভারতের আদলে এই স্কিমের আওতায় সাধারণ মানুষ তাদের অব্যবহৃত গয়না বা সোনার বার ব্যাংকে জমা রেখে নির্দিষ্ট হারে সুদ পেতে পারেন। প্রক্রিয়াটি হবে বৃত্তাকার- গ্রাহক সোনা জমা দেবেন ব্যাংকে, ব্যাংক সেই সোনা জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের ঋণ হিসেবে দেবে। ফলে জুয়েলারি মালিকদের আর নতুন করে বিদেশ থেকে সোনা আমদানি করতে হবে না, যা সরাসরি দেশের বিপুল পরিমাণ ডলার সাশ্রয় করবে। অলস সম্পদ তখন অর্থনীতির মূল প্রবাহে (Mainstream Economy) যুক্ত হয়ে পুঁজির জোগান দেবে।
অবশ্য বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই স্কিম হুট করে চালু করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। কারণ, এদেশের মানুষের কাছে সোনা কেবল সম্পদ নয়, আবেগেরও বিষয়। গয়না গলিয়ে ফেলার ভয়ে অনেকেই এটি ব্যাংকে দিতে চাইবেন না। এছাড়া আছে কর বিভাগের হয়রানির ভয়। তাই এই স্কিম সফল করতে হলে প্রয়োজন শক্তিশালী প্রযুক্তিগত ও আইনি কাঠামো। প্রথমত, আন্তর্জাতিক মানের গোল্ড রিফাইনারি ও টেস্টিং ল্যাব স্থাপন করতে হবে, যাতে গ্রাহকের সামনেই সোনার মান যাচাই করা যায়। দ্বিতীয়ত, প্রয়োজন আইনি সুরক্ষা বা ‘সাধারণ ক্ষমা’ (Amnesty)। নির্দিষ্ট পরিমাণ সোনা জমা দিলে আয়ের উৎস নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা হবে না- এনবিআর বা কর বিভাগ থেকে এমন স্পষ্ট নিশ্চয়তা না পেলে সাধারণ মানুষ তাদের সঞ্চিত সোনা ব্যাংকের ভল্টে বের করতে সাহস পাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আগে এই অবকাঠামো ও আস্থার সংকট নিরসন করতে হবে।
পাশাপাশি, রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় বৈচিত্র্য আনা জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংককে ডলারের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে রিজার্ভে সোনার মজুদ বাড়াতে হবে। স্থানীয় বাজার থেকে বাজেয়াপ্ত করা সোনা নিলামে বিক্রি না করে তা সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে জমা করা যেতে পারে। হুন্ডি ও চোরাচালান রোধে বিএফআইইউ, এনবিআর এবং বর্ডার গার্ডের সমন্বয়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে, যারা কেবল বাহক নয়, অর্থের উৎস খুঁজবে। সবশেষে, বাজুস-এর দাম নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা অধিকারের সরাসরি তদারকি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ‘তেজাবী’ সোনার সংকটের অজুহাতে কৃত্রিমভাবে বাজার অস্থিতিশীল করা না হয়।
সোনার দামের এই লাগামহীন উল্লম্ফন কেবল জুয়েলারি দোকানের কাঁচের শো-কেসে সীমাবদ্ধ কোনো দৃশ্য নয়; এটি মূলত আমাদের ভঙ্গুর অর্থনীতির এক নিদারুণ প্রতিচ্ছবি। বিশ্ববাজারে অস্থিরতার ঢেউ আমাদের উপকূলে আছড়ে পড়ছে সত্য, কিন্তু সেই ঢেউ সামাল দেওয়ার মতো মজবুত বাঁধ আমাদের নীতিমালায় নেই। বিশ্লেষণ থেকে এটি স্পষ্ট যে, সোনার বাজার নিছক শৌখিনতার বিষয় নয়, এটি দাঁড়িয়ে আছে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির এক বিপজ্জনক মোড়ে। একদিকে হুন্ডি ও চোরাচালানের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত রক্তক্ষরণ হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের, অন্যদিকে উৎপাদনশীল খাত থেকে পুঁজি সরে গিয়ে আটকা পড়ছে অলস সম্পদে। রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের এখনই গতানুগতিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শুল্ক সংস্কার, বাস্তবসম্মত ‘গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিম’-এর উদ্যোগ এবং কঠোর মনিটরিং এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, সোনার চাকচিক্য থাকবে, কিন্তু অর্থনীতির জৌলুস হারিয়ে যাবে।