দেশ, শিল্প-সাহিত্য

দেশ, শিল্প-সাহিত্য

উৎসবের রঙে ‘খ তে খাঁটি’ পরিবারের ঈদ পুনর্মিলনী ও বর্ষবরণ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ আর বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর সতেজতা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল রাজধানীর বনশ্রীতে। শুক্রবার ( ১০ এপ্রিল) রাজধানীর বনশ্রীর ‘পিজ্জাগ্রাম’-এ অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় কমিউনিটি ‘খ তে খাঁটি’ পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত হয় ‘ঈদ পুনর্মিলনী ও বৈশাখ বরণ ১৪৩৩’।

বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই বর্ণিল উৎসবে গ্রুপের সদস্য ও নারী উদ্যোক্তাদের মিলনমেলায় পরিণত হয় পিজ্জাগ্রাম প্রাঙ্গণ। দিনভর আড্ডা, গেমস এবং কেনাকাটার আনন্দ ছাপিয়ে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে যান্ত্রিক জীবনের মাঝে এক টুকরো প্রশান্তি।

আয়োজনে মোট ৫টি বিশেষায়িত স্টল স্থান পায়। যেখানে ছিল নজরকাড়া পোশাক, প্রসাধনী সামগ্রী, গহনা এবং বাচ্চাদের পোশাকের সমাহার। তবে দর্শকদের বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল খাবারের স্টলগুলো। মেলায় খাবারের বৈচিত্র্যময় আয়োজন আগতদের গ্রামবাংলার চিরায়ত স্বাদের কথা মনে করিয়ে দেয়। কুষ্টিয়ার কুলফি, বগুড়ার দই, ডাবের পুডিং ও রাবড়ি ক্ষীরসার মতো ঐতিহ্যবাহী পদের স্বাদে মুগ্ধ হন অতিথিরা।

ফোক ফুড-এর স্বত্বাধিকারী তাজ্জিত আক্তার সোমা এ উৎসবে অংশগ্রহণের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘মেলার ভিড়ের ভেতর আমাদের ছোট্ট স্টল যেন হয়ে উঠেছিল এক টুকরো গ্রামবাংলার স্বাদভরা আঙিনা। আয়োজকদের আন্তরিকতা এবং মেলায় আসা মানুষের আশাতীত সাড়া আমাদের মুগ্ধ করেছে।’

সারা বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও উৎসবকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় এই বৈশাখ বরণ উৎসবের পরিকল্পনা করে আয়োজকরা। আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে গ্রুপের এডমিন কাজী নওশীন লায়লা বলেন, ‘এই আয়োজনটি ছিল মূলত ঈদ পুনর্মিলনী ও নববর্ষকে স্বাগত জানানোর জন্য। ব্যস্ত জীবনের মাঝে নারী উদ্যোক্তা ও আমাদের নারী সদস্যরা যেন নিজেদের মতো করে একটি দিন কাটাতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই খ তে খাঁটি পরিবারের পুরো এডমিন প্যানেল মিলে আমরা এটি সফল করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আমরা অভিভূত।’

ভবিষ্যতেও গ্রুপের সদস্যদের জন্য এমন সৃজনশীল ও আনন্দঘন পরিবেশ বজায় রাখার এবং বড় পরিসরে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মেলা শেষে সদস্যদের জন্য আয়োজিত বিভিন্ন খেলাধুলার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত