শিক্ষা

শিক্ষা

ববির ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে সোহাগ ও আলবীর

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেখানে সভাপতি হিসবে নেতৃত্ব দিবেন মোঃ রমজান হোসেন সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদকে আলবীর ইসলাম।  গত ১৩ জানুয়ারি অ্যাসোসিয়েশনটির উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মাসুদের স্বাক্ষরে কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটি গঠনে সম্মতি প্রকাশ করে স্বাক্ষর দেন সাবেক সভাপতি আরিফ হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মির্জা রবন।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি বলেন, ঢাকা জেলা থেকে আগত প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাশে সবসময় জেলা সমিতি ছিল। সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বরং আমি আশা রাখি এই ধারা আরও বেগবান করে জেলার শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করব।

সাধারণ সম্পাদক জানান, নতুন কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত হতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানাই ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মানিত ডিন ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ স্যারকে। দীর্ঘদিন যাবত এই সংগঠনটি অচল পড়ে ছিল। আশা করছি সবার সহযোগিতায় সংগঠনটিকে আবার চলমান করতে পারব। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা সবসময় পাশে ছিলেন।

বিষয়:
পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ দিনের বিজ্ঞান মেলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে দুইদিনের বিজ্ঞান মেলা। মঙ্গলবার সকালে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ।

নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি দররুল হোদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন– দেবীনগর দ্বি-মুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল আজিজ, চরমোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবীরসহ অনান্যরা।

নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবীর জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি বাড়াতেই এ বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের ৩৬টি গ্রুপ তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে।

পরবর্তী খবর

কোটা বাতিলের দাবিতে ববির রাস্তায় শিক্ষার্থীরা

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকুরিতে কোটা পুনর্বহাল নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের প্রেক্ষিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে সকাল ১১টা থেকে এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় দেখা যায় নুরুজ্জামান মিরাজ (নূর) এর পিঠে লেখা ছিলো কোটা নিপাত যাক, বৈষম্য দুর কর। এ যেন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি বলছেন তারা।

বাংলা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নূর জানান, স্বৈরচারী বিরোধী আন্দোলনে যেমন নুর রাস্তায় নেমে পিঠে লিখেছিলো স্বৈরাচার নিপাত যাক, ঠিক তেমনি বৈষম্য দূর করে কোটা নিপাত করা হবে। তিনি জানান, বৈষম্য দুর করার জন্যে ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো। আবার সেই বৈষম্য শুরু হয়ে গেছে। কোটা বহাল রেখে দেশে মেধাবী শূন্য করা হচ্ছে।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের অনিকা সরকার, বাংলা বিভাগের ইউসুফ, আইন বিভাগের মাইনুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের ভূমিকা সরকার ও আইন বিভাগের ইমন আলীসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, কোনো বৈষম্যহীন রাষ্ট্রে ৫৬ শতাংশ কোটা থাকতে পারে না। তীব্র আন্দোলনের মুখে সরকার যেখানে কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছিলো হাইকোর্ট কেন সেই কোটাকে আবার পুনর্বহাল করলো আমরা জানি না। সরকারের সিদ্ধান্তকে হাইকোর্ট বাতিল করেছে। আমরা চাইবো সরকারের পক্ষ থেকে যেন আপিল বিভাগে আপিল করা হয়। নয়তো আন্দোলন চলবে। আমরা রাজপথ ছাড়বো না।

তারা আরও বলেন, ২০১৮ সালের রক্তের দাগ আজও শুকায় নাই। টিয়ারশেলের দাগ আজও শুকায় নাই। আমাদের সেই সংগ্রাম ব্যর্থ হওয়ার পথে। আমাদের উপর হাইকোর্ট যে রায় চাপিয়ে দিয়েছে আমরা সেই রায় মানি না। যারা কোটাধারী মেধাবী পরিচয় দিতে চান, তাদেরকে বলতে চাই, এই পরিচয় খুবই লজ্জার।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত