রাজনীতি

রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নন, রাজনৈতিক কর্মী : মীর শাহে আলম সম্পর্কে রাশেদ খাঁনের দাবি

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে ছড়ানো প্রচারণাকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে প্রতিমন্ত্রীকে উপস্থাপন করে মূলত সরকারপ্রধানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বুধবার (৯ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন টকশোতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা বাস্তবসম্মত নয়।

ফেসবুক পোস্টে বিএনপি নেতা স্পষ্ট করেন, মীর শাহে আলম নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে বয়সে ছোট এবং তাদের একসঙ্গে স্কুল বা কলেজে পড়ার কোনো সুযোগ ছিল না। তাদের সম্পর্ক মূলত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে।

রাশেদ খাঁনের মতে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মীর শাহে আলমের কাজের গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে, তবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় গোপালগঞ্জ সপ্তম এবং বগুড়া ১৬তম অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও বগুড়ায় সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা পরিকল্পিত।

প্রতিমন্ত্রীর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে রাশেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মীর শাহে আলম বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন নিয়ে সমন্বয় সভা করেছেন। এ ধরণের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রশংসা না করে তাকে বিতর্কিত করার নেপথ্যে একটি গভীর ষড়যন্ত্র কাজ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

পোস্টের শেষ দিকে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না’—এমন বক্তব্যের পর থেকেই মীর শাহে আলমকে লক্ষ্য করে সমালোচনা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীকে হেয় করার মাধ্যমে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করাই বিরোধী পক্ষ ও আওয়ামী লীগের সহযোগীদের মূল লক্ষ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত