অর্থ ও বাণিজ্য

অর্থ ও বাণিজ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ বাস্তবায়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আকচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুব্রত কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বেলায়েত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম সরকার।

এছাড়াও বক্তব্য দেন, আকচা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বিজয় চন্দ্র, আব্দুর রশিদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ার শাহাদাত হোসেন, পুরাতন ঠাকুরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমেশ চন্দ্র বর্মন, কমল সিংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র রায়, আকচা ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হরি প্রসাদ বর্মন প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী যে কোনো বাংলাদেশী নাগরিক প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা এই চারটি স্কিমের মধ্যে যেকোনো একটি স্কিম গ্রহণ করতে পারবেন। অতিদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষজন সমতা পেনশন স্কিম গ্রহণ করতে পারবেন। তাদের মাসিক চাঁদার অর্ধেক সরকার বহন করবেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার কথা ভেবে এই পেনশন স্কিম গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে এর কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে।

সভাপতির বক্তব্যে আকচা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সুব্রত কুমার বর্মন বলেন, সরকার প্রবর্তিত এই সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সব শ্রেণির মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি ১ নং আকচা ইউনিয়নের বসবাসকারী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় স্কিমে অংশ নিতে আহ্বান জানান। তিনি উপস্থিত সবাইকে পেনশন স্কিমের উপকারিতা অন্যান্যদের মাঝে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনকে পেনশন স্কিমে অংশ নিতে উৎসাহ প্রদানের জন্য অনুরোধ জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন সুবিধা গ্রহণ করতে আমরা জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে অবহিতকরণ সভা করে এটি ছড়িয়ে দিবো। সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সব নাগরিকের টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিতের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের একটি মহৎ উদ্যোগ। পেনশন স্কিমের অর্থ করমুক্ত এবং প্রবাস থেকে প্রেরণে ২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে প্রণোদনাও মিলবে।’

এ সময় ব্যবসায়ী নেতা, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মীগণ, সাধারণ এলাকাবাসী এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:
পরবর্তী খবর

উদ্যোক্তাদের ‘দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ’ দিচ্ছে এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশ

এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশের আয়োজনে রাজধানীর টিকাটুলীতে অবস্থিত এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার মিলনায়তনে শুরু হয়েছে দুই দিন ব্যাপী ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের জন্যে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঋণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ।

বুধবার (১২ জুন) সকালে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রথম ব্যাচে ২৫ জন উদ্যোক্তাকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিন উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিকর্ণ কুমার ঘোষ।

প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে তাঁদের স্বপ্নটাকে বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। তাঁদের স্বপ্ন ছিল একটা সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহসীকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। উদ্যোক্তাদের সেই সাহস আছে। তাদের সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং প্রস্তুতি পারে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে। তিনি বলেন, যারা উদ্যোক্তা তারা ঝুঁকি নিতে জানে। ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া বড় পরিবর্তন সম্ভব না। তাই চাকরিজীবীদের দিয়ে যে অগ্রগতি সম্ভব না, উদ্যোক্তাদের দিয়ে তা সম্ভব। বিকর্ণ কুমার ঘোষ উদ্যোক্তাদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার প্রত্যয় ঘোষণা দেন।

প্রথম দিনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মডারেটর ও ঢাকা জেলা এম্বাসাডর হোসাইন আল মামুন এবং টার্টেল ভেঞ্চারের মেহেনাজ জামান।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের জন্যে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঋণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তারা নিয়মিত পরিচালনা করবেন। প্রথম ব্যাচে এবার বাছাইকৃত পঁচিশজন উদ্যোক্তাকে সুযোগ দিতে পেরেছেন। ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক উদ্যোক্তাকে এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, উদ্যোক্তাদের জন্য বিনিয়োগ এবং লোন সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে সহজ করতে তারা কাজ করছেন।

এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশের এই আয়োজনে পার্টনার হিসেবে রয়েছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন, টার্টেল ভেঞ্চার এবং দ্রুত লোন। আগামীকাল প্রথম ব্যাচের এই প্রশিক্ষণ শেষ হবে।

পরবর্তী খবর

১৮০৫ কেজি আম নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ছাড়ল ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চালু হলো আম পরিবহনের বিশেষ ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রায় ১৮০৫ কেজি আম নিয়ে ছেড়ে যায় ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। কম খরচে আম পরিবহনের বিষয়টি মাথায় রেখে বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় ৫ম বারের মত আম পরিবহনের বিশেষ এ ট্রেন চালু করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা প্রতি কেজি আম পরিবহনে খরচ হবে ১ টাকা ৪৮ পয়সা।

সোমবার বিকাল ৫টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশনে ম্যাংগো ও ক্যাটেল ট্রেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছমিনা খাতুন, বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আসাদুল হক, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক শাহ সুফী নূর মোহাম্মদসহ অনান্যরা।

এর আগে সোমবার বিকাল ৪টায় রহনপুর স্টেশন থেকে ১০২০ কেজি আম নিয়ে যাত্রা শুরু করে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। এরপর নাচোল, আমনুরা জংশন হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশনে আরো ৭৮৫ কেজি উঠানো হয়। পরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আম নিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহীর উদ্দেশ্য ছেড়ে যায় ট্রেনটি।এরপর রাজশাহী, সরদহ রোড, আনাড়ী, আব্দুল্লাহপুর, ইশ্বরদী,পোড়াদহ, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ভাঙ্গা হয়ে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে আমের এ বিশেষ ট্রেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ ওবাইদুল্লাহ জানান, এ ট্রেনে আম ছাড়াও শাকসবজি, ডিমসহ অনান্য কৃষি পণ্য পরিবহন করা যাবে। তিনি আরও জানান, আজ উদ্বোধন করা হলেও আগামী ১২ তারিখ থেকে তিনদিন ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত