অর্থ ও বাণিজ্য

অর্থ ও বাণিজ্য

তালিকা থেকে বাদ ২১ নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান

ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষার জন্য যোগ্য ৩১ অডিট ফার্মের তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তালিকায় নতুন করে জায়গা পেয়েছে পাঁচ অডিট ফার্ম। একই সঙ্গে নানা অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে এবার আগের তালিকা থেকে ২১ প্রতিষ্ঠান বাদ পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক বৈধ অডিট ফার্মগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকায় যোগ্য অডিট ফার্মগুলো হলো এ কাশেম অ্যান্ড কোং, একনাবিন, আহমদ জাকের অ্যান্ড কোং, আহসান মঞ্জুর অ্যান্ড কোং, অরুন অ্যান্ড কোম্পানি, আজিজ হালিম খায়ের চৌধুরী, বাসু ব্যানার্জি নাথ অ্যান্ড কোং, চৌধুরী ভট্টাচার্য অ্যান্ড কোং, দাস চৌধুরী দত্ত অ্যান্ড কোং, দেওয়ান নজরুল ইসলাম অ্যান্ড কোং, জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং, হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং, হক ব্যানার্জি দাস অ্যান্ড কোং, হাওলাদার ইউনুস অ্যান্ড কোং, হোসাইন ফরহাদ অ্যান্ড কোং, ইসলাম আফতাব কামরুল অ্যান্ড কোং, ইসলাম জাহিদ অ্যান্ড কোং, কেএম আলম অ্যান্ড কোং, খান ওয়াহাব শফিক রহমান অ্যান্ড কোং, এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং, এমএম রহমান অ্যান্ড কোং, এম জেড ইসলাম অ্যান্ড কোং, এমএবিএস অ্যান্ড জে পার্টনার্স, মাহফেল হক অ্যান্ড কোং, মালেক সিদ্দিকী ওয়ালী, মাসিহ মুহিত হক অ্যান্ড কোং, নূরুল ফারুক হাসান অ্যান্ড কোং, পিনাকী অ্যান্ড কোম্পানি, রহমান রহমান হক (কেপিএমজি), সাইফুল সামসুল আলম অ্যান্ড কোং, জোহা জামান কবির রশিদ অ্যান্ড কোং।

যোগ্য অডিট ফার্মের তালিকায় নতুন যোগ হয়েছে পাঁচ প্রতিষ্ঠান। এগুলো হলো অরুন অ্যান্ড কোং, দেওয়ান নজরুল ইসলাম অ্যান্ড কোং, ইসলাম জাহিদ অ্যান্ড কোং, কেএম আলম অ্যান্ড কোং ও সাইফুল সামসুল আলম অ্যান্ড কোং।

দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সাধারণত দুই বছর পরপর যোগ্য অডিট ফার্মের নাম প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বশেষ ২০২১ সালের জুনে ৪৭ প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়েছিল। অনিয়মে জড়িত থাকাসহ বিভিন্ন অভিযোগে এবার কিছু প্রতিষ্ঠান নতুন তালিকায় স্থান পায়নি।

বাদ পড়া অডিট ফার্মগুলো হলো এ ওয়াহাব অ্যান্ড কোং, আহসান কামাল সাদেক অ্যান্ড কোং, অনিল সালাম ইদ্রিস অ্যান্ড কোং, আতিক খালেদ চৌধুরী, হক শাহ আলম মঞ্জুর অ্যান্ড কোং, কেএম হাসান অ্যান্ড কোং, কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং, এমএ ফজল অ্যান্ড কোং, এমআই চৌধুরী অ্যান্ড কোং, মেক অ্যান্ড কোং, মোল্লাহ কাদের ইউসুফ অ্যান্ড কোং, মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ অ্যান্ড কোং, অক্টোখান, রহমান মোস্তফা আলম অ্যান্ড কোং, শফিক বসাক অ্যান্ড কোং, এসকে বরুয়া অ্যান্ড কোং, এসআর ইসলাম অ্যান্ড কোং, সাহা অ্যান্ড কোং, স্নেহাশীষ মাহমুদ অ্যান্ড কোং, তোহা খান জামান অ্যান্ড কোং।

নানা অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে এবার আগের তালিকা থেকে ২১ প্রতিষ্ঠান বাদ পড়েছে

বিষয়:
পরবর্তী খবর

উদ্যোক্তাদের ‘দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ’ দিচ্ছে এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশ

এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশের আয়োজনে রাজধানীর টিকাটুলীতে অবস্থিত এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার মিলনায়তনে শুরু হয়েছে দুই দিন ব্যাপী ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের জন্যে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঋণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ।

বুধবার (১২ জুন) সকালে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রথম ব্যাচে ২৫ জন উদ্যোক্তাকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিন উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিকর্ণ কুমার ঘোষ।

প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে তাঁদের স্বপ্নটাকে বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। তাঁদের স্বপ্ন ছিল একটা সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহসীকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। উদ্যোক্তাদের সেই সাহস আছে। তাদের সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং প্রস্তুতি পারে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে। তিনি বলেন, যারা উদ্যোক্তা তারা ঝুঁকি নিতে জানে। ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া বড় পরিবর্তন সম্ভব না। তাই চাকরিজীবীদের দিয়ে যে অগ্রগতি সম্ভব না, উদ্যোক্তাদের দিয়ে তা সম্ভব। বিকর্ণ কুমার ঘোষ উদ্যোক্তাদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার প্রত্যয় ঘোষণা দেন।

প্রথম দিনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশনের মডারেটর ও ঢাকা জেলা এম্বাসাডর হোসাইন আল মামুন এবং টার্টেল ভেঞ্চারের মেহেনাজ জামান।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের জন্যে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঋণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তারা নিয়মিত পরিচালনা করবেন। প্রথম ব্যাচে এবার বাছাইকৃত পঁচিশজন উদ্যোক্তাকে সুযোগ দিতে পেরেছেন। ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক উদ্যোক্তাকে এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, উদ্যোক্তাদের জন্য বিনিয়োগ এবং লোন সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে সহজ করতে তারা কাজ করছেন।

এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশের এই আয়োজনে পার্টনার হিসেবে রয়েছে নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন, টার্টেল ভেঞ্চার এবং দ্রুত লোন। আগামীকাল প্রথম ব্যাচের এই প্রশিক্ষণ শেষ হবে।

পরবর্তী খবর

১৮০৫ কেজি আম নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ছাড়ল ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চালু হলো আম পরিবহনের বিশেষ ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রায় ১৮০৫ কেজি আম নিয়ে ছেড়ে যায় ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। কম খরচে আম পরিবহনের বিষয়টি মাথায় রেখে বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় ৫ম বারের মত আম পরিবহনের বিশেষ এ ট্রেন চালু করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা প্রতি কেজি আম পরিবহনে খরচ হবে ১ টাকা ৪৮ পয়সা।

সোমবার বিকাল ৫টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশনে ম্যাংগো ও ক্যাটেল ট্রেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছমিনা খাতুন, বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আসাদুল হক, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক শাহ সুফী নূর মোহাম্মদসহ অনান্যরা।

এর আগে সোমবার বিকাল ৪টায় রহনপুর স্টেশন থেকে ১০২০ কেজি আম নিয়ে যাত্রা শুরু করে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। এরপর নাচোল, আমনুরা জংশন হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশনে আরো ৭৮৫ কেজি উঠানো হয়। পরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আম নিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহীর উদ্দেশ্য ছেড়ে যায় ট্রেনটি।এরপর রাজশাহী, সরদহ রোড, আনাড়ী, আব্দুল্লাহপুর, ইশ্বরদী,পোড়াদহ, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ভাঙ্গা হয়ে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে আমের এ বিশেষ ট্রেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ ওবাইদুল্লাহ জানান, এ ট্রেনে আম ছাড়াও শাকসবজি, ডিমসহ অনান্য কৃষি পণ্য পরিবহন করা যাবে। তিনি আরও জানান, আজ উদ্বোধন করা হলেও আগামী ১২ তারিখ থেকে তিনদিন ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত