
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ক্যাম্পের ৬ নম্বর ব্লকের বি/৬ ক্যাম্পে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে স্ত্রী ও এক সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এহেতাসামুল হক নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পরিবারের আরেক সন্তান গুরুতর আহত হয়েছে।
নিহতরা হলেন এহেতাসামুল হকের স্ত্রী শহীদ নুর সুফিয়া (৩০) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ শামীম। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে তাদের ১৪ বছর বয়সী বড় ছেলে মো. আফছার বাপ্পী। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে।
ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে এহেতাসামুল হক ও তার স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এহেতাসামুল ধারালো দা নিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে আক্রমণ করে। ঘটনাস্থলেই স্ত্রী ও ছোট ছেলের মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত এহেতাসামুল হক পালিয়ে আত্মগোপন করেন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ওসি আরও জানান, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।